
স্টাফ রিপোর্টার: ॥
চাঁদপুর ট্রাকঘাট এলাকার রাস্তার পাশে বি.আই.ডব্লিউটিএও পৌরসভার জায়গা ইট বালু ব্যবসায়িদের দখলে রয়েছে। এতে করে স্কুল কলেজ পড়য়া ছাত্র-ছাত্রী ও পথচারিরা চরম দূর্ভোগ পোহাতে হচ্ছে। এ ব্যাস্ততম ট্রাকঘাট এলাকার রাস্তার পাশে ব্যবসায়িরা ইট, বালু, সিলেকসন বালু,পাথর রেখে রমরমা ব্যবসা চালিয়ে যাচ্ছে। প্রশাসনের নিষেধাজ্ঞা অপেক্ষা করে সরকারি জায়গায় নির্মান সামগ্রী রাখায় স্কুল কলেজ পড়ুয়া ছাত্র-ছাত্রী ও পথচারিদের চোঁখে প্রতিদিন বাতাসের সাথে বালি গিয়ে চরম দূর্ভোগে পরতে হচ্ছে। এই রাস্তার পাশে রাখা ইট বালু অপসারন করার জন্য এলাকাবাসি ইতি পূর্বে জেলা প্রশাসক ও পুলিশ সুপারের কাছে স্বারকলিপি পেশ করে। বেশ কয়েকবার প্রশাসন এই অবৈধ ভাবে রাখা বালু , ইট ও নির্মান সামগ্রী অপসরন করেছিল। তার পরেও আবার অসাধু ব্যাবসায়িরা প্রশাসনের নিষেধাজ্ঞা না মেনে পূনরায় সরকারি জায়গায় আবারো নির্মান সামগ্রী রেখে রমরমা ব্যবসা চালিয়ে যাচ্ছে।
এলাকাবাসি জানায়, ট্রাকঘাটের ব্যাবসায়িরা রাস্তার পাশে বি.আই.ডব্লিউটিএ ও পৌরসভার জায়গায় ইট, বালু, সিলেকসন বালু,পাথর রাখায় ছাত্র-ছাত্রী ও পথচারিদের চলাচলে ব্যাপক সমস্যা সৃষ্টি হচ্ছে। এর কারন যানবাহন চলাচলের সময় রাস্তার পাশে রাখা বালু বাতাসে উড়ে গিয়ে মানুষের চোঁখে যাওয়ায় অনেকের চোঁখ অন্ধ হওয়ার উপক্রম হয়ে পড়েছে।
এই অবৈধ ভাবে রাখা ইট,বালু অপসারন করার জন্য এলাকাবাসি জেলা প্রশাসক ও পুলিশ সুপারের কাছে স্বারকলিপি পেশ করার পর তারা নির্মান সামগ্রী অন্য জায়গায় সড়িয়ে নিয়ে যায়। কিছুদিন যেতে না যেতেই আবারো সেই রাস্তার পাশের জায়গায় ইট, বালু, সিলেকসন বালু,পাথর রেখে আবার ব্যবসা শুরু করেছে। এদের মধ্যে ট্রাক ঘাটের শাহাজালাল ট্রেডার্সের রহিম শেখ,আতাহার ট্রেডার্সের সোহেল,আতিক ঢালী ট্রেডার্সের শাহিন, জলিল ট্রেডার্সের লিটন, মাহিন ট্রেডার্সের রাব্বি, মরিয়ম ট্রেডার্সের ইসমাইল, শাকিন এন্টার প্রাইজের শাকিন, তেজায়ত ট্রেডার্সের সেলিম মুন্সি, আল মদিনার মোস্তফা তালুদার, সায়মন ট্রেডার্সের মনির, বশির খাঁন, কামাল খাঁন, দেওয়ান এন্টার প্রাইজের মালিক নূরু দেওয়ার ও তার ছেলে জুম্মন দেওয়ান রাস্তার পাশে বি.আই.ডব্লিউটিএ ও পৌরসভার জায়গায় ইট, বালু, সিলেকসন বালু,পাথর রেখে রমরমা ব্যবসা চালিয়ে যাচ্ছে।
এই অসাধু ব্যবসায়িদের বিরুদ্ধে আবারো ব্যবস্থা গ্রহন করে রাস্তার পাশে রাখা ইট বালু অপসারন করার জন্য এলাকাবাসি প্রশাসনের কাছে জোড় দাবি জানাচ্ছে। এ ব্যাপারে কযেক জন ব্যবসায়ীর সাথে যোগা যোগ করলে তারা জানান, পৌরসভা ও বি.আই.ডব্লিউটিএ কাছে লিজ চাওয়া হয়েছে। আশা করি আমরা অচিরেই লিজ পাব। সেই জন্য রাস্তার পাশে মালামাল রেখে ব্যবসা করছি,চুরিতো করছিনা। এ ছাড়া পৌরসভাকে প্রতি মাসে ব্যবসায়ী লাইসেন্স ফি দিয়ে যাছি।
