প্রাণঘাতী করোনাভাইরাস থেকে রক্ষা পেতে চাঁদপুরের ৯শ’১১টি মসজিদে জুমার নামাজ শেষে বিশেষ মোনাজাত করা হয়েছে।
শুক্রবার বাদ জুমা হাজীগঞ্জ ঐতিহাসিক বড় মসজিদে করোনাভাইরাস থেকে
বাংলাদেশ ও সারা বিশ্বের মানুষদের হেফাজতে বিশেষ মোনাজাত করা হয়। হাজার
হাজার মুসল্লি এই মোনাজাতে অংশ নেন।
এসময় করোনাভাইরাসে প্রাণ হারানো মানুষদের জন্য দোয়ার আয়োজন রূপ নিল কান্নায়।
জুমার নামাজের পর বিশেষ মোনাজাতে হাজার মানুষের কান্নার রোলে পুরো এলাকার পরিবেশ ভারি হয়ে ওঠে। মোনাজাত শেষেও অনেককে হু হু করে কাঁদতে দেখা যায়।
মুসল্লিদের ভিড়ে সবার জায়গা হয়নি মসজিদে। এতে করে পাশের সড়কে বসেও তারা নামাজ পড়েন। পরে অংশ নেন মোনাজাতে।
যখন নিহতদের রুহের মাগফেরাত কামনা করে দোয়া হচ্ছিল, তখন কান্নার রোল পড়ে যায়। ডুকরে কাঁদতে থাকেন শত শত মানুষ। করোনাভাইরাসে প্রাণ হারানো বহুজনকে এরা হয়ত কখনো দেখেননি, চেনেনও না কিন্তু এমন করুণ মৃত্যু সবাইকে নিকটজন বানিয়ে দিয়েছে। অচেনা মানুষদের জন্য হৃদয় ভেঙে গেছে তাদের।
মসজিদ থেকে প্রতিটি মুসল্লিকে বের হওয়ার সময় চোখের পানি মুছতে দেখা গেছে। অনেকেরই বুক থেকে পেট পর্যন্ত পাঞ্জাবী ছিল ভেজা। একজন কাঁদতে কাঁদতে বলেন, আল্লাহ এক কঠিন অগ্নিপরীক্ষায় ফেলেছে বাংলাদেশ ও সারা বিশ্বের মানুষজনকে। এ থেকে আমাদেরকে শিক্ষা নিতে হবে।
হামিদ মিয়া নামে একজন বলেন, শুধু এই মসজিদ নয়, চাঁদপুর সহ গোটা বাংলাদেশ এ ভাইরাস থেকে বাঁচতে এবং নিহতদের রুহের মাগফেরাত কামনা করে দোয়া হয়েছে।
