প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেছেন, খেলাধুলার সুযোগ-সুবিধা বৃদ্ধিতে সম্ভাব্য সব ধরনের পদক্ষেপই তার সরকার গ্রহণ করবে। এসময় প্রত্যেক উপজেলায় মিনি স্টেডিয়াম তৈরির কথাও পুনর্ব্যক্ত করেন প্রধানমন্ত্রী।
আজ বিকেলে বঙ্গবন্ধু জাতীয় স্টেডিয়ামে ‘বঙ্গবন্ধু গোল্ডকাপ প্রাথমিক বিদ্যালয় ফুটবল টুর্নামেন্ট-২০১৬’ এবং ‘বঙ্গমাতা বেগম ফজিলাতুন নেছা মুজিব গোল্ডকাপ প্রাথমিক বিদ্যালয় ফুটবল টুর্নামেন্ট-২০১৬’-এর ট্রপি ও পুরস্কার বিতরণী অনুষ্ঠানে তিনি এসব কথা বলেন।
এসময় খেলাধুলায় উৎসাহ এবং সহযোগিতা প্রদান করতে বিত্তবান, জনপ্রতিনিধিসহ সমাজের সকলকে এগিয়ে আসার আহ্বান জানান প্রধানমন্ত্রী।
শেখ হাসিনা বলেন, আমাদের শিক্ষক-অভিভাবক এবং আমাদের যারা জনপ্রতিনিধিরা আছেন বিভিন্ন স্তরে, যারা একটু স্বচ্ছল ব্যক্তি আছেন এবং প্রত্যেক এলাকার এলাকাবাসী- সকলকেই আমি আহ্বান জানাবো যে, খেলাধুলার প্রতি আমাদের ছেলে-মেয়েরা মনোনিবেশ করেছে, তাদেরকে আরো উৎসাহ প্রদান করতে হবে। এর সাথে সাথে সবধরনের সুযোগ-সুবিধা স্কুলগুলো যেন পায় সেই ব্যবস্থা তারা করবেন।
প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘এই খেলাধুলার জন্য আরো সুযোগ-সুবিধা বৃদ্ধি করা হবে’। আমরা ইতোমধ্যেই সিদ্ধান্ত নিয়েছি সেই ব্যবস্থা আমরা করবো। ‘আমাদের লক্ষ্যই হচ্ছে আমাদের ছেলে-মেয়েরা খেলাধুলার দিকে আরো নজর দিক। এগিয়ে যাক’।
তিনি বলেন, ‘আমি এইটুকুই চাই খেলাধুলার মধ্য দিয়ে আমাদের ছেলে-মেয়েরা দেশপ্রেমিক হবে, দেশের দিকে আরো নজর দেবে’।
টুর্নামেন্ট দু’টিতে ২১ লাখ ৮৩ হাজার ৭৫২ জন প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী অংশগ্রহণ করে।
প্রধানমন্ত্রী স্টেডিয়ামে উপস্থিত থেকে ‘বঙ্গমাতা বেগম ফজিলাতুন নেছা মুজিব গোল্ডকাপ প্রাথমিক বিদ্যালয় ফুটবল টুর্নামেন্ট-২০১৬’ এর ফাইনাল ম্যাচ উপভোগ করেন।
প্রধানমন্ত্রী বলেন, আমরা খেলাধুলাকে সবসময় গুরুত্ব দিয়ে থাকি। কারণ খেলাধুলা আমাদের ছেলে-মেয়েদের মেধা বিকাশের সুযোগ দেয়, প্রতিযোগিতামূলক মনোভাব গড়ে তোলে এবং সেই সাথে সাথে তারা সুস্বাস্থ্যের অধিকারী হয়।
খেলা শেষে বিজয়ী, রানার্সআপ এবং তৃতীয় স্থান অধিকারকারী দল ও খেলোয়াড়দের মধ্যে পুরস্কার বিতরণ করেন প্রধানমন্ত্রী।
‘বঙ্গবন্ধু গোল্ডকাপ প্রাথমিক বিদ্যালয় ফুটবল টুর্নামেন্ট’ চ্যাম্পিয়ন টইটং সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় পেকুয়া কক্সবাজার’এর খেলোয়াড় ও কর্মকর্তাদের হাতে স্বর্ণ ট্রফি ১ লাখ টাকার প্রাইজমানী এবং খেলোয়াড়দের প্রত্যেককে ১০ হাজার টাকার প্রাইজমানী এবং ব্যক্তিগত পুরস্কার হিসেবে মেডেল তুলে দেন।
এছাড়াও রানার্স আপ কামরাঙ্গীপুর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় জৈন্তাপুর সিলেটকে রৌপ্য ট্রফি, নগদ ৭৫ জাজার টাকার প্রাইজমানি এবং খেলোয়াড়দের প্রত্যেককে সাড়ে ৭ হাজার টাকার ব্যক্তিগত পুরস্কার তুলে দেন।
