প্রতিনিধি
ঘুষের টাকা পরিশোধ করতে না পারায় চাকুরিতে নিয়োগ হচ্ছে না। হাজীগঞ্জ উপজেলার লাওকোরা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের দপ্তরী নিয়োগে এ অনিয়মের কথা বলেন মোঃ কবির হোসেন নামে এক ভুক্তভোগী।
কবির জানান, গত ৯ ফেব্র�য়ারি দপ্তরী নিয়োগ পরীক্ষায় তিনি প্রথম হন। সে হিসেবে তার চাকুরি হওয়ার কথা। কিন্তু সংশ্লিষ্ট ইউপি চেয়ারম্যান সোহরাব হোসেন মিয়াজী ও ওয়ার্ড আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক মেহেদী আলম মিলন আমার থেকে ৬০ হাজার টাকা ঘুষ দাবি করেন। আমার আর্থিক অভাব-অনটন থাকায় সে টাকা দিতে পারিনি। তাই তারা আমার বিরুদ্ধে অন্য একজনকে দিয়ে ইউএনও অফিসে মিথ্যা অভিযোগ দেয়। তিনি আরও জানান, দু মাস ধরে চাকুরির জন্য মানুষের দ্বারে দ্বারে ঘুরছি। কিন্তু কোনো সুফল পাচ্ছি না। কবির নিজেকে স্কুলের দাতা সদস্যের বংশধর বলে দাবি করেন।
এ বিদ্যালয়ের ম্যানেজিং কমিটির সভাপতি আঃ মালেক পাটওয়ারী ৯ ফেব্র�য়ারি দপ্তরি নিয়োগ পরীক্ষায় মোঃ কবির হোসেন প্রথম হয় বলে স্বীকার করেন। তবে অন্য কোনো মন্তব্য করতে তিনি রাজি হননি।
উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিসার মোঃ আবদুল আউয়াল জানান, কবিরের ৮ম শ্রেণী পাস সার্টিফিকেটের বিরুদ্ধে অভিযোগ এসেছে। তাই আমি ৩ সদস্যের তদন্ত কমিটি করে দিয়েছি। সে তদন্ত রিপোর্টে অভিযোগের সত্যতা পাওয়ায় নিয়োগ বন্ধ রয়েছে।
তবে কবিরের অভিযোগ, সবকিছুই সাজানো নাটক। তিনি প্রশাসনের হস্তক্ষেপ কামনা করেন এবং যারা তার কাছ থেকে ঘুষ দাবি করেছেন তাদের বিচার চান।
