প্রতিনিধি
চাঁদপুর শহরকে মাদক পাচারকারীরা নিরাপদ সড়ক হিসেবে দীর্ঘদিন ধরেই ব্যবহার করে আসছে। বর্তমানে তারা কুমিল্লা-চাঁদপুর ও লাকসাম-চাঁদপুর রেলপথে চলাচলকারী ট্রেনগুলোকে ব্যবহার করছে। একটি সূত্রে জানা যায়, ইদানিংকালে কুমিল্লা থেকে চাঁদপুর অভিমুখী কমিউটার ট্রেন ডেম্যুযোগে প্রচুর পরিমাণে মাদক চাঁদপুরে আসছে। গত ২/৩ দিন পূর্বে সকাল সাড়ে ৯টায় চাঁদপুরে আসা ডেম্যু ট্রেনযোগে অজ্ঞাত পরিচয়ে দু’ নারী প্রচুর পরিমাণ গাঁজা নিয়ে চাঁদপুরে প্রবেশ করে। কতিপয় ব্যক্তিরা ঐ দু’ নারীকে শহরের কোর্ট স্টেশনে নাম ঠিকানা জানতে চাইলে তারা কুমিল্লার বাসিন্দা বলে জানায়। কোথায় যাওয়া হবে এ সম্পর্কে জানতে চাইলে ঐ দু’ নারী জানায়, পুরাণবাজার জাফরাবাদ এলাকায় যাচ্ছে। তারা পালবাজার সংলগ্ন সেতুর কাছে গেলে জাফরাবাদের দু’ চিহ্নিত মাদক ব্যবসায়ী এ দু’ নারীকে সিএনজি স্কুটারযোগে নিয়ে যায়। এমনিভাবে কুমিল্লার ভারতীয় সীমান্ত এলাকা থেকে গাঁজা, ফেন্সিডিল ও ইয়াবার বড় চালান নিয়ে নারীরা কুমিল্লা শাসনগাছা ও লাকসাম থেকে ডেম্যু ট্রেনযোগে চাঁদপুরে প্রবেশ করে। এরা কখনও কোর্ট স্টেশন রেলওয়ে প্লাটফর্মে আবার কখনও বড় স্টেশন নেমে নৌকাযোগে পুরাণবাজার ও লঞ্চযোগে দেশের অন্যান্য স্থানে মাদক পাচার করে থাকে। আর এদেরকে ট্রেনের সর্বাত্মকভাবে সহযোগিতা করে চাঁদপুরের রেল থানা পুলিশ, আনসার সদস্য ও নিরাপত্তা কর্মীরা। এ তিনটি বাহিনীর টহলরত সদস্যরা কারা মাদক পাচার করছে তাদেরকে চেনা সত্ত্বেও এদেরকে মাদক পাচারে সর্বাত্মকভাবে সহযোগিতা করে থাকে। তার বিনিময়ে মাদক পাচারকারীদের কাছ থেকে তারা মোটা অঙ্কের ঘুষ নিয়ে থাকে। মাদক পাচারকারীরা রেল পুলিশ, আনসার ও নিরাপত্তা কর্মীদের ম্যানেজ করে ডেম্যু ট্রেনযোগে চাঁদপুরে মাদক প্রবেশ করায়। আর এ মাদকের ছোবলে যুব সমাজ দিন দিন ধ্বংস হয়ে যাচ্ছে। যাত্রীদের নিরাপত্তা রক্ষিরা নিরাপত্তা না দিয়ে অন্যায় কর্মকান্ডে তারা জড়িত। সচেতন মহল মনে করেন আইন শৃঙ্খলা বাহিনীরা যদি সক্রিয় না হয় তাহলে চাঁদপুরে ডেম্যু ট্রেনযোগে প্রবেশ করা মাদক নির্মূল করা সম্ভব হবে না।
শিরোনাম:
মঙ্গলবার , ২৬ মে, ২০২৬ খ্রিষ্টাব্দ , ১২ জ্যৈষ্ঠ, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
এই ওয়েবসাইটের যে কোনো লেখা বা ছবি পুনঃপ্রকাশের ক্ষেত্রে ঋন স্বীকার বাঞ্চনীয় ।
