চাঁদপুর জেলা পরিষদ নির্বাচনে চেয়ারম্যান পদে জয়ী হয়েছেন জেলা আওয়ামী লীগের নেতা ওচমান গনি পাটোয়ারী। গতকাল বুধবার উৎসবমুখর পরিবেশে নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়।
সকাল ৯টা থেকে বেলা ২টা পর্যন্ত নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়। ভোটযুদ্ধে চার প্রার্থী অংশ নেন।
সরেজমিনে সকাল সাড়ে নয়টায় সদর উপজেলা পরিষদ কেন্দ্রে ভোটারদের স্বতঃস্ফূর্ত উপস্থিতি দেখা যায়। সকাল ১০টায় জেলা প্রশাসক আবদুস সবুর মণ্ডল ও পুলিশ সুপার শামসুন্নাহার কেন্দ্র পরিদর্শন করেন। ভোটকেন্দ্রের বাইরে প্রার্থী, ভোটার ও সমর্থকেরা ভিড় করেন। জেলা নির্বাচন কর্মকর্তা মো. আতাউর রহমান বলেন, দুপুর পর্যন্ত চাঁদপুরের ১৫টি কেন্দ্রেই ব্যাপক নিরাপত্তার মধ্য দিয়ে শান্তিপূর্ণ ও স্বতঃস্ফূর্তভাবে ভোট গ্রহণ হয়। সদর উপজেলা পরিষদ কেন্দ্রের প্রিসাইডিং কর্মকর্তা মো. এনামুল হক বলেন, দুপুর সাড়ে ১২টার মধ্যে ৮৯ জন ভোটারই ভোট দেন।
এদিকে চেয়ারম্যান পদে চার প্রার্থীর মধ্যে একজন নীরবে আরেকজনকে সমর্থন দেওয়ায় মূলত প্রতিদ্বন্দ্বিতায় ছিলেন তিনজন। তিন প্রতিদ্বন্দ্বীই আওয়ামী লীগের নেতা। তবে তাঁদের মধ্যে লড়াই হয় মোবাইল ফোন প্রতীকের প্রার্থী চাঁদপুর জেলা আওয়ামী লীগের সাবেক সহসভাপতি ওচমান গনি পাটোয়ারী ও ঘোড়া প্রতীকের প্রার্থী ও ঢাকা দক্ষিণ আওয়ামী লীগের সহসভাপতি মো. নুরুল আমিন রুহুলের সঙ্গে।
মোবাইল ফোন প্রতীকের প্রার্থী ওচমান গনি পাটোয়ারীকে সমর্থন দেন চাঁদপুর-২ আসনের সাংসদ দুর্যোগব্যবস্থাপনা ও ত্রাণমন্ত্রী মোফাজ্জল হোসেন চৌধুরী মায়া। অপরদিকে ঘোড়া প্রতীকের প্রার্থী মো. নুরুল আমিন রুহুলকে সমর্থন দেন চাঁদপুর-৩ আসনের সাংসদ ও আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক দীপু মনি, চাঁদপুর-১ আসনের সাংসদ মহীউদ্দীন খান আলমগীর, চাঁদপুর-৪ আসনের সাংসদ শামছুল হক ভূঁইয়া ও চাঁদপুর-৫ আসনের সাংসদ সাবেক স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী মেজর (অব.) রফিকুল ইসলাম। চেয়ারম্যান পদে বাকি দুই প্রার্থী হলেন জেলা আওয়ামী লীগের সাবেক সহসভাপতি ইউসুফ গাজী (আনারস), চাঁদপুর সদর উপজেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি নুরুল ইসলাম নাজিম দেওয়ান (মোটরসাইকেল)।
সংঘর্ষে আহত ১০: নির্বাচনকে কেন্দ্র করে চাঁদপুরে একটি কেন্দ্রে সংঘর্ষে ইউনিয়ন পরিষদের (ইউপি) এক চেয়ারম্যানসহ ১০ জন আহত হয়েছেন। দুপুরে তেগুরিয়া উচ্চবিদ্যালয় কেন্দ্রে দুই সদস্য প্রার্থীর সমর্থকদের মধ্যে এই সংঘর্ষ হয়।
প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, তেগুরিয়া উচ্চবিদ্যালয় কেন্দ্রে সদস্য প্রার্থী অটোরিকশা প্রতীকের হারুন পাটওয়ারী ও তালা প্রতীকের মো. শাহজাহানের সমর্থকদের মধ্যে আধিপত্য বিস্তার নিয়ে পাল্টাপাল্টি ধাওয়ার ঘটনা ঘটে। এ সময় দুই পক্ষ সংঘর্ষে জড়িয়ে পড়লে ইউপি চেয়ারম্যান ইসহাক শিকদারসহ ১০ জন আহত হন। আহত ব্যক্তিরা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সসহ বিভিন্ন স্থানে চিকিৎসা নিয়েছেন।
শিরোনাম:
বুধবার , ২৬ আগস্ট, ২০২৬ খ্রিষ্টাব্দ , ১১ ভাদ্র, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
এই ওয়েবসাইটের যে কোনো লেখা বা ছবি পুনঃপ্রকাশের ক্ষেত্রে ঋন স্বীকার বাঞ্চনীয় ।
