
স্টাফ রিপোর্টার ঃ চাঁদপুর শহরের নিশি বিল্ডিং এলাকায় ডেসওয়া ট্রাষ্টের নাম ভাঙ্গিয়ে বসবাসরত জনৈক শাহীনুর আক্তার কর্তৃক সাধারণ মানুষের সাথে প্রতারনা, অর্থ আত্মসাৎ, যুব সমাজকে ধ্বংস ও এলাকাবাসীকে অন্যায়ভাবে হয়রানি করার হাত থেকে রক্ষা পাওয়ার জন্য ডিফেন্স এক্স-সোলজারস ওয়েলফেয়ার ত্র্যাসোসিয়েশন (ডেসওয়া) ট্রাস্টের চেয়ারম্যান বরাবর অসংখ্য এলাকাবাসী অভিযোগ করেছে বলে জানা গেছে। ঘটনার বিবরণে জানা যায়, চাঁদপুর শহরের ঐতিহ্যবাহী নিশি বিল্ডিং এলাকায় অবস্থিত ডেসওয়া ট্রাষ্টের নামে বরাদ্দকৃত জমিতে জনৈক শাহীনুর আক্তার দীর্ঘদিন যাবত বসবাস করে এলাকার সাধারণ মানুষের সাথে প্রতারনা, তাদের কাছ থেকে বিভিন্ন ব্যক্তিকে চাকুরী দেওয়ার নাম করে অর্থ আত্মসাৎ, এলাকার যুব সমাজকে বিভিন্ন অসামাজিক কাজে লিপ্ত করে যুব সমাজকে ধ্বংস এবং এলাকাবাসীকে বিভিন্নভাবে মামলা হামলার ভয় দেখিয়ে হয়রানি করে যাচ্ছে বলে শত শত এলাকাবাসীর কাছ থেকে অভিযোগ উঠেছে শাহীনুর আক্তারের বিরুদ্ধে। সরজমিনে এলাকাবাসীর সাথে আলাপকালে জানা গেছে, জনৈক শাহীনুর আক্তার চাঁদপুর শহরের নিশি বিল্ডিং এলাকায় ডেসওয়া ট্রাস্টের নামে বরাদ্দকৃত জমিতে অবৈধভাবে দীর্ঘদিন যাবত জনৈক শাহিনুর আক্তার ও তার স্বামী আনোয়ার হোসেন বসবাস করে যাচ্ছে। এ বসবাস করা অবস্থায় তারা এলাকার মানুষকে চাকুরী দিবে বলে শাহীনুরের স্বামী আনোয়ার হোসেন ও শাহিনুর আক্তার মানুষের কাছ থেকে লক্ষ লক্ষ টাকা হাতিয়ে নিয়ে প্রতারনা করে যাচ্ছে। এছাড়া সে এলাকায় উশৃঙ্খলভাবে চলাফেরা করে এলাকার যুব সমাজকে বিভিন্ন অসামাজিক কাজে লিপ্ত করে ধ্বংসের মুখে দাবিত করছে। এ শাহীনুর আক্তারকে এলাকার সচেতন মহল বহুবার বিভিন্নভাবে এ সমস্ত কাজ থেকে বিরত থাকার জন্য বললেও সে কোন কর্ণপাত না করে বরং এলাকাবাসীর সাথে বিভিন্ন সময় বিভিন্নভাবে মামলা হামলার ভয় দেখিয়ে হয়রানি করে যাচ্ছে। এলাকার অভিজ্ঞ মহলের মতামত এ শাহীনুরের খুটির জোর কোথায়। সে কিভাবে একটি সেনাবাহিনীর মত অবসরপ্রাপ্ত ব্যক্তিদের নামের সংস্থার নাম ভাঙ্গিয়ে তাদের বরাদ্দকৃত জমিতে একাধিক ঘর উঠিয়ে বিক্রি করছে এবং নিজেও থাকছে। এ ব্যাপারে এলাকাবাসীর অভিযোগ থেকে আরো জানা যায়, উল্লেখিত শাহিনুর আক্তার ডেসওয়া ট্রাস্টের বর্তমানে কোন সদস্য নয়। তারপর সে ডেসওয়ার বরাদ্দকৃত জায়গায় ঘর উত্তোলন করে জনৈক মামুন নামে এক ব্যক্তির কাছে ৫০,০০০/- (পঞ্চাশ হাজার) টাকার বিনিময়ে ডেসওয়া ট্রাস্টের জায়গা ও ঘর বিক্রি করেছে বলেও অভিযোগ উঠেছে। খবর নিয়ে জানা যায় উক্ত মহিলা ও তার পরিবার ডেসওয়া ট্রাস্টের সদস্য না হয়ে অত্র এলাকায় বসত বাড়ি করে সমস্ত গাছ গাছালি নিবির্চারে নিধন করে যাচ্ছে। সাধারণ মানুষের কাছ থেকে যে অর্থ হাতিয়ে নিয়েছে। ভুক্তভোগীরা সে অর্থ চাইতে গেলে সে জেলা প্রশাসন, পুলিশ প্রশাসন ও রাজনীতি ব্যক্তি সাথে তার সু-সম্পর্ক রয়েছে বলে তাদের ভয় দেখিয়ে অর্থ ফেরত না দিয়ে বরং মামলার ভয় দেখিয়ে যাচ্ছে। অভিজ্ঞ মহলের মতে জনৈক শাহীনুর আক্তারের বিরুদ্ধে এর পূর্বেও বিভিন্ন ভুক্তভোগীরা অভিযোগ করলেও তার কোন শাস্তি না হওয়ায় এলাকাবাসীর ধারণা ডেসওয়া ট্রাষ্ট এর চাঁদপুরের কোন কর্মকর্তা এর সাথে জড়িত রয়েছে কিনা তা নিয়ে সংশয় দেখা দিয়েছে। উল্লেখ্য, জনৈক শাহীনুর আক্তারের স্বামী আনোয়ার হোসেন নতুন বাজার আহমদীয়া মাদ্রাসায় চাকুরীরত অবস্থায় বিভিন্ন মানুষের কাছ থেকে প্রতারনা করে চাকুরী দেওয়ার নাম করে অর্থ আত্মসাৎ করায় সে বিভিন্ন অভিযোগের ফলে তার চাকুরীটি হারিয়েছে। তাকে মাদ্রাসা কর্তৃপক্ষ যথাযথ কর্তৃপক্ষের মাধ্যমে বহিস্কার করতে বাধ্য হয়। আরো জানা যায়, এর আগে মিশন রোড এলাকায় থাকা অবস্থায় শাহীনুর আক্তার ও আনোয়ার হোসেন সাধারণ মানুষের টাকা আত্মসাৎ করে বলে মিশন রোড এলাকাবাসী তাদেরকে মিশন রোড এলাকা থেকে বের করে দেয়।
