জাটকা যে মারবে সে বাংলাদেশের শক্র
…জেলা প্রশাসক মোঃ আব্দুস সবুর মন্ডল
স্টাফ রিপোটার ঃ চাঁদপুর সদর উপজেলার ১৩নং হানারচর ইউনিয়ন পরিষদ প্রাঙ্গনে বৃহস্পতিবার বিকেলে জাটকা রক্ষায় জনসচেতনতামূলক সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। সরকার ঘোষিত মার্চ-এপ্রিল ২ মাস চাঁদপুর জেলার ইলিশ অভয়াশ্রম পদ্মা-মেঘনা নদীতে জাটকাসহ সকল প্রকার মাছ আহরণ নিষিদ্ধ কার্যক্রম বাস্তবায়নের লক্ষ্যে উক্ত সভার আয়োজন করে যৌথভাবে উপজেলা টাস্কফোর্স কমিটি চাঁদপুর সদর। ইউপি চেয়ারম্যান আলহাজ্ব আব্দুস ছাত্তার রাঢ়ির সভাপ্রধানে সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্য রাখেন জেলা টাস্কফোর্সের সভাপতি ও জেলা প্রশাসক মোঃ আব্দুস সবুর মন্ডল। বিশেষ অতিথির বক্তব্য রাখেন নৌ-পুলিশের এসপি সুব্রত হালদার, জেলা মৎস্য কর্মকর্তা সফিকুর রহমান, সদর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা উদয়ন দেওয়ান, চাঁদপুর মডেল থানার অফিসার ইনচার্জ মোঃ ওয়ালী উল্লা, সদর উপজেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক আলী এরশ্বাদ মিয়াজী।
ইউপি সচিব এমএ কুদ্দুছ আখন্দ রোকনের সঞ্চালনায় আরো বক্তব্য রাখেন জাতীয় মৎস্যজীবী সমিতি চাঁদপুর জেলা সভাপতি আঃ মালেক দেওয়ান, ইউপি সদস্য আবুল কালাম আজাদ। উপস্থিত ছিলেন নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট সাইফুল ইসলাম, কোস্টগার্ড চাঁদপুরের সিনিয়র চীফ পেটি অফিসার মোঃ মকবুল হোসেন, সদর উপজেলা সিনিয়র মৎস্য কর্মকর্তা শওকত কবীর চৌধুরীসহ প্রিন্ট মিডিয়ার সাংবাদিক, ইউপি সদস্য, জেলে ও মৎস্য ব্যবসায়ীবৃন্দ।
প্রধান অতিথির বক্তব্যে জেলা প্রশাসক বলেন, চাঁদপুরের প্রত্যেকটি মানুষ ইলিশের বাবা-মা, ইলিশ তাদের মেয়ে। তাই শিশু সন্তান জাটকাকে রক্ষার দায়িত্ব এ জেলার সবার। ইলিশের বাড়ি চাঁদপুর এজন্যে যে, বাংলাদেশে ইলিশের যে পাঁচটি অভয়াশ্রম রয়েছে, তার মধ্যে চাঁদপুরের অভয়াশ্রম সবচাইতে বড়। এখানে মা ইলিশ নিরাপদে ডিম ছাড়ে এবং এখানে জাটকার ক্ষেত্রে পরিণত হয়। এখানেই জাটকা বড় হয়ে সাগরে যায়। তাই আপনাদের শিশু সন্তান জাটকাকে রক্ষা করতে হবে। জাটকাকে যে ধ্বংস করবে, সে চাঁদপুরের শক্র। জাটকা যে মারবে সে বাংলাদেশের শক্র। জাটকা যে ধরবে সে বাঙালী জাতির শক্র। তাকে কোনো ক্রমেই ক্ষমা করা হবে না। গত বছর আমরা সবাই মা ইলিশ রক্ষয় ঝাপিয়ে পড়েছিলাম। এজন্য এবার ব্যাপক ইলিশ উৎপাদন হয়েছে। গোটা দেশের মানুষ ইলিশ খেতে পেড়েছে। এখন সবাই জানে চাঁদপুরে ইলিশ। তাকে রক্ষা করতেই হবে। সবার শুরুতে জনগণ ও জেলেদের জাটকা না ধরতে উদ্বুদ্ধ করণে সংগীত পরিবেশন করা হয়। চাঁদপুর শিল্পকলা একাডেমির শিল্পী খোকন দাস ও সুভাষ দাস কালু সংগীত পরিবেশন করেন।
