“একজন ছাত্রকর্মী হিসেবে আপামর বাঙালির আস্থার শেষ ঠিকানা মাননীয় প্রধানমন্ত্রী দেশরত্ন শেখ হাসিনার দুঃসময়ের একজন পরীক্ষিত কর্মীর পক্ষে আমাদের প্রিয় হাসু আপার কাছে আমার খোলা চিঠি”
……………………………………………………………………
আমার/আমাদের আপামর বাঙালির আশার বাতিঘর, আস্থার সর্বশেষ আশ্রয়স্থল স্নেহময়ী জননী,মমতাময়ী ভগীনী মাননীয় প্রধানমন্ত্রী দেশরত্ন শেখ হাসিনা ছোট্ট করে প্রিয় হাসু আপা আমার সশ্রদ্ধ সালাম নিবেন, আস-সালামুয়ালাইকুম । আপনি ছিলেন বলে বিশ্বদরবারে আমাদের আজকের এই বাংলাদেশ স্বকীয় মহিমায় উপস্থাপিত হয়। আপনি আছেন বলেই নৈমিত্তিক সহস্র বিপত্তি সত্ত্বেও আমরা বারংবার আরও বড় পরিসরে স্বপ্ন দেখবার সাহস পাই । জাতির পিতা দিয়েছিলে আমাদের স্বাধীন-সার্বভৌম রাষ্ট্র আর আপনি দিয়েছেন অর্থনৈতিক মুক্তি। আপনার হাত ধরেই আমরা জাতি হিসেবে, একটি স্বকীয় রাষ্ট্র হিসেবে প্রতিনিয়তই নিজেদেরকে ছাড়িয়ে যাবার সুযোগ পাচ্ছি ধারাবাহিকভাবে। আপা, আপনার একজন ক্ষুদ্র কর্মী হয়ে আপনার দুঃসময়ের পরীক্ষিত একজন কর্মীর পক্ষে আপনার কাছে আমার এই খোলা চিঠি । কেবল বিশ্বাসের উপর ভর করে, আত্মিক সাহস সঞ্চার করে লিখেছি আপা। কারণ, আপনি ছাড়া কেউ যে আর মমত্ববোধ নিয়ে ভালোবাসার হাত বাড়ায় না আপা।

বাংলাদেশ ছাত্রলীগের দুঃসময়ের একজন কর্মী ডঃ মুহম্মদ শহীদুল্লাহ্ হল ছাত্রলীগ-এর সাবেক সভাপতি এবং কেন্দ্রীয় ছাত্রলীগের সাবেক ক্রীড়া সম্পাদক শাহজাহান শিশির। বাংলাদেশ আওয়ামী যুবলীগের কেন্দ্রীয় কমিটির সদস্যও ছিলেন তিনি। বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের কেন্দ্রীয় উপকমিটির সহ-সম্পাদক ছিলেন এবং বর্তমানেও ক্রীড়া বিষয়ক উপ-কমিটির সহ-সম্পাদক হিসেবে আপনিই স্বীকৃতি দিয়েছিলেন আপা। পরপর দুইবার চাঁদপুরের কচুয়া উপজেলার উপজেলা পরিষদ চেয়ারম্যান হিসেবে বিপুল সমর্থন পেয়ে নির্বাচিত হয়ে একজন ছাত্রকর্মী থেকে ধীরে ধীরে হয়ে উঠেছেন নিজ এলাকার মানুষের বিশ্বাসের আর পছন্দের জনপ্রতিনিধি । বিশেষ করে, সর্বশেষ উপজেলা পরিষদ নির্বাচনে যখন রানিং চেয়ারম্যান থাকবার পরেও উপজেলা কিংবা জেলা থেকে কেন্দ্রীয় সু-নির্দিষ্ট নির্দেশনা থাকবার পরেও উনার নামটি প্রার্থী হিসেবে সুপারিশ করা হয়নি কেবলমাত্র অনৈতিক আর্থিক লেনদেনের কারনে(প্রমাণিত সত্য), তখন আপনিই নিজেই তাকে নৌকা প্রতীকের প্রার্থী করে নির্বাচন করতে পাঠিয়েছিলেন। এতদসত্ত্বেও স্থানীয় রাজনীতিতে সক্রিয় কথিত প্রভাবশালী প্রায় সকল মহলের উদ্দেশ্য প্রণোদিত সর্বাত্মক বিরোধিতার পরেও তৃণমূল আর সাধারণের মাঝে ব্যাপক জনপ্রিয়তায় ভর করেই আপনার নৌকার প্রতিকের সম্মান অক্ষুণ্ণ রাখতে সমর্থ হয়েছিলেন তিনি । বিগত নির্বাচন পরবর্তী সময় থেকেই স্থানীয় রাজনৈতিক একটি পক্ষ নানান কৌশলে উনাকে হেয় করার ধারাবাহিক চেষ্টা চালিয়ে আসছিল আপা, সর্বশেষ একটি অনভিপ্রেত তুচ্ছ ঘটনাকে ষড়যন্ত্রের মাধ্যমে ভিন্ন খাতে উপস্থাপন করে তারা তাদের দীর্ঘদিনের সুপ্ত হীন বাসনা বাস্তবায়নে সক্ষম হয়েছে আপা ।
লেখা দীর্ঘায়িত না করে সরাসরি মূল প্রসঙ্গে চলে আসি মাননীয় নেত্রী । বাংলাদেশ ছাত্রলীগ পরিবারের সকলের কাছে পরিচিত নাম সাহসী আর অকুতোভয় বীর শহীদ ছাত্রলীগ নেতা পার্থ প্রতিম আচার্য দাদার প্রয়াণ দিবসে উনাকে স্মরণ করে করা সমসাময়িক একজন সহযোদ্ধার একটি ফেইসবুক পোস্টে জনাব শিশিরের একটি কমেন্ট নিয়ে (যেখানে মোশতাক সরকারের সময়ে একজন ব্যক্তি বিশেষের অবস্থান উল্লেখ করা হয়েছিল, যিনি ক্যাবিনেটের শপথ পাঠ করিয়েছিলেন) উনার নামে হ-য-ব-র-ল তথ্য নির্ভর এবং বস্তুত অযৌক্তিক উপায়ে জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান এবং আপনার নাম জড়িয়ে অসংলগ্ন যুক্তি দিয়ে কোনো এক অদৃশ্য ক্ষমতাবলে একটি পরিকল্পিত মামলা করা হয়েছিল আইসিটি আইনের অধীনে এবং সে মামলা রুজু করাতে প্রচুর চাপ সৃষ্টি করাও পুলিশ প্রশাসনের উপর, মাননীয় নেত্রী ।
সর্বশেষ গত ১৯ জুলাই একটি অনভিপ্রেত তুচ্ছ ঘটনা নিয়ে ষড়যন্ত্রমূলক মিথ্যা মামলা দেয়া হয় তার নামে। স্থানীয় মানুষ আর প্রতিষ্ঠান প্রধানের করা বিদ্যালয় ভবন নির্মাণে অনিয়ম আর দুর্নীতির অভিযোগ পেয়ে উপজেলা পরিষদ কার্যালয় সংলগ্ন একটি বিদ্যালয়ের ভবণ নির্মান কাজ বন্ধ রাখার নির্দেশ দেন জনাব শিশির। তাতক্ষণিক তিনি সেটা স্থানীয় সাংসদ এবং ইউএনও মহোদয়কেও বিষয়টি অবহিত করে রাখেন।কিন্তু ঘটনার দিন উপ-সহকারী প্রকৌশলী এসে অনিয়মের বিষয়ে কোনোরুপ ব্যাখ্যা না দিয়ে, উনাকে না জানিয়ে কাজ শুরুর নির্দেশ দেন ইউএনও সাহেবের উপস্থিতিতে। এতে স্থানীয়রা বিক্ষুব্ধ হয়ে উনাকে জানালে তিনি সেখানে গিয়ে পরিস্থিতি অনুকূলে আনতে কিছুটা উত্তেজিত অবস্থা দেখালে পরিস্থিতি স্বাভাবিক হয়। পরবর্তীতে তিনি উপজেলা ইউএনও-সহ সবাইকে নিয়ে একসাথে পরিষদে গিয়ে চা পান করে শেষে একসাথেই বের হন(পুরো সময়ের সিসি টিভি ফুটেজ আছে,যেখানে মামলার এজহার যে প্রায় পুরোটাই ভুয়া আর ভিত্তিহীন তা প্রমাণ করে দেয়)। কর্তব্যরত ইঞ্জিঃ সাহেব সেখান চাঁদপুর চলে যায় এবং এরপরেই সক্রিয় হয়ে উঠে সেই চক্রান্তকারী কুশীলবগণ। প্রায় মধ্যরাতে ব্যাপক মারধোরের অভিযোগ এনে ইঞ্জিনিয়ার সাহেব হত্যা চেষ্টা মামলা করেন(উনাকে বিভিন্ন ভাবে প্রলুব্ধ করাসহ যথেষ্ট পরিমান চাপ প্রয়োগ করার মাধ্যমে হয়তো)। মামলা রুজুর মাত্র ৩৮ ঘন্টা(….!!) এর মধ্যেই [সম্ভবত বাংলাদেশের ইতিহাসে এটাই প্রথম নজির যে এত স্বল্প সময়ে অবিশ্বাস্য দ্রুততায় ] স্থানীয় সরকার মন্ত্রণালয় থেকে উনাকে সাময়িক বহিষ্কার করে প্রজ্ঞাপন জারি করে কোনোরকম কারন দর্শানোর নোটিশ না দিয়েই…! এরপর চলতে থাকে পুলিশ আর প্রশাসনের উপর চাপ সৃষ্টি করে, উনাকে যাতে রাজনৈতিক ভাবে সর্বাত্মক হেয় প্রতিপন্ন করা সম্ভব হয়… ।
যাই হোক, আইনের প্রতি পূর্ণ শ্রদ্ধা প্রদর্শন করে গতমাসে আদালতে আত্মসমর্পণ করে জামিন চাইলে বিজ্ঞ আদালত তা না-মঞ্জুর করে উনাকে কারাগারে প্রেরণ করেন। কানাঘুষা আছে,সর্বশেষ আদালতেও প্রত্যক্ষ ও পরোক্ষভাবে যাতে উনাকে অসুবিধাতে ফেলতে পারে সেই লক্ষ্যে ষড়যন্ত্রকারী গোষ্ঠীর প্রয়াস অব্যাহত ছিল ।
কিন্তু মাননীয় নেত্র,ঠিক উল্টো চিত্র ধারাবাহিক ভাবে দৃশ্যমান ছিল কচুয়া উপজেলার সর্বস্তরের মানুষের মধ্যে । এই অন্যায় কাজে বাধা প্রদান করে বহিষ্কার হওয়াতে প্রতিদিনই টানা কোনো না কোনো ইউনিয়নের নেতা-কর্মীরা আর সাধারণ জনগন মিলে করে গেছেন প্রতিবাদী মানব-বন্ধন, বিক্ষোভ । দাবী জানাচ্ছেন মামলা প্রত্যাহার করার। ইতোমধ্যেই অনিয়মের অভিযোগ নিয়ে গণ-মাধ্যমেও নরম সুর দেখিয়েছেন সেই উপ-প্রকৌশলী, তার বদিলীর আদেশও হয়েছে । কিন্তু মিথ্যা মামলা আর ষড়যন্ত্রকারীদের কূটচালের চাপ মাথায় নিয়ে কারাগারে আছেন জনতার প্রতিনিধি খ্যাত কচুয়া উপজেলা পরিষদ চেয়ারম্যান শাহাজান শিশির । আমার নিজ উপজেলা হওয়াতে একটু বিস্তারিত ভাবে প্রকৃত বিষয়গুলোর সারসংক্ষেপ উপস্থাপনের চেষ্টা করেছি আমি।
স্থানীয় রাজনৈতিক প্রতিপক্ষের হীন ষড়যন্ত্রের শিকার হয়ে অযৌক্তিক এবং মিথ্যা সাজানো মামলায় চাঁদপুর জেলার কচুয়া উপজেলার সাময়িক বহিষ্কৃত উপজেলা পরিষদ চেয়ারম্যান জনাব শাহাজান শিশির চাঁদপুর জেলা কারাগারে রয়েছেন আজ প্রায় তিন সপ্তাহ হতে চলল…! মাননীয় নেত্রী, বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের দুঃসময়ের পরীক্ষিত কর্মী এই শাহাজান শিশির-রা রাজপথে আন্দোলন-সংগ্রাম-মিছিল না করলে ততকালীন সরকারের দুঃশাসনের কোনো প্রতিবাদ হয়তো হতো না….! বাঙালির আশার বাতিঘর,আমাদের আওয়ামী পরিবারের সর্বোচ্চ অভিভাবক হিসেবে দেশরত্ন শেখ হাসিনা আপা আপনি এই শিশিরের মতো তখনকার সাহসী কর্মীদের জীবনবাজি রেখে আন্দোলনের ফলেই তখনও সোনার বাংলা নিয়ে ভাবতে উতসাহ পেয়েছিলেন আর আজকের এই মূহূর্তটিতেও সমৃদ্ধ-স্বপ্নীল রাষ্ট্র বিনির্মানে অক্লান্ত প্রয়াস চালিয়ে যাবার অদম্য ইচ্ছাশক্তি সমেত যথাযোগ্য অবস্থানে আসীন আছেন । মাননীয় নেত্রী, ১/১১ সময়কালে যখন মাইনাস-টু ফর্মুলা নিয়ে একদল বেঈমান সংস্কারবাদী হিসেবে আত্মপ্রকাশ করেছিল, আপনার ধানমন্ডির ব্যক্তিগত কার্যালয় থেকে এই শিশিরের নেতৃত্বে ধাওয়া করে তখন বের করা হয়েছিল তাদেরকে, এটা আপনি নিজেই সম্পূর্ণভাবে অবগত আছেন আপা । কিন্তু, দুঃখের বিষয় আপনার সেই দুঃসময়ের কর্মীরা ভোগান্তিতে থাকলে স্ব-প্রনোদিত হয়ে কেউ আপনাকে এই তথ্যগুলো জানান কিনা, মাঝে মাঝে প্রশ্নের উদ্রেক হয়….! মাননীয় নেত্রী আপনার দুর্নীতির বিরুদ্ধে জিরো টলারেন্স নীতির পক্ষে বিদ্যালয় ভবন নির্মাণে অনিয়মের বিরুদ্ধে নিজের শক্ত অবস্থান দেখানোয় আপনার পরীক্ষিত কর্মী শাহাজান শিশির- যে কিনা প্রবল প্রতিবন্ধকতা সত্ত্বেও পরপর দুই বার উপজেলা পরিষদ নির্বাচনে জনগনের প্রত্যক্ষ ভোটে নির্বাচিত হয়েছে, অথচ আজকে আপনি সরকারপ্রধান হওয়া সত্ত্বেও তাকে কারাগারে যেতে হয়েছে মিথ্যা ষড়যন্ত্রমূলক সাজানো মামলায় ! প্রিয় নেত্রী,আপনাকে এই তথ্যটি সঠিক বা ভুল উপস্থাপনায় কোনোভাবেই জানানো হয় নি বলে আমার বিশ্বাস…! কারন,আপনি জানলে অবশ্যই কোনটা সঠিক আর কোনটা মিথ্যা তা ভালোভাবেই যাচাই করে নিতে পারতেন আপা ।
মাননীয় প্রধানমন্ত্রী প্রিয় হাসু আপা, আমার এই কথাগুলোও হয়তো আপনার কাছে পৌঁছুবে না,তবুও ক্ষাণিক সাহসের সঞ্চার করে অনিশ্চিত আশায় থেকেই আপনার দৃষ্টি আকর্ষণ করছি এবং আপনার হস্তক্ষেপ কামনা করছি । কারন, আজকের দিনে এসে একজন উপজেলা চেয়ারম্যান কিংবা সাবেক কেন্দ্রীয় ছাত্রলীগ বা কেন্দ্রীয় যুবলীগ নেতা শাহাজান শিশিরের স্ব-ঘোষিত রাজনৈতিক প্রতিপক্ষরা নাকি প্রচন্ড ক্ষমতাধর হিসেবে বিবেচ্য গণ-মানুষের দল বাংলাদেশ আওয়ামী লীগে কিংবা চলমান রাষ্ট্র যন্ত্রের প্রতিষ্ঠানগুলোতে…..!
একজন ক্ষুদ্র ছাত্রকর্মী হয়ে তাই আমার-আমাদের আস্থার কিংবা ভরসার সর্বশেষ আশ্রয়স্থল হিসেবে আপনার দুঃসময়ের পরীক্ষিত কর্মী শাহাজান শিশিরের হয়ে আপনার কাছে উনার মুক্তি চেয়ে আর প্রকৃত খলনায়কগনের বিচার চেয়ে এই সবিনয় আবেদনটুকু করছি আপা ।
নিবেদক-
ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী এবং সক্রিয় রাজনৈতিক-সামাজিক-সাংস্কৃতিক ছাত্রকর্মী,
”ভূঁইয়া মোঃ ফয়েজউল্লাহ মানিক”
★ উপ-প্রচার সম্পাদক, বাংলাদেশ ছাত্রলীগ ;
★ সাবেক সদস্য, বাংলাদেশ ছাত্রলীগ ;
★ সাবেক সহ-সভাপতি, বাংলাদেশ ছাত্রলীগ,
ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় শাখা ;
★ সাবেক গ্রন্থনা ও প্রকাশনা বিষয়ক উপ-সম্পাদক,
ডঃ মুহম্মদ শহীদুল্লাহ্ হল শাখা ছাত্রলীগ,
ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় ;
★ সাবেক সভাপতি এবং সাধারণ সম্পাদক,
কচুয়া স্টুডেন্টস এসোসিয়েশন
অব
ঢাকা ইউনিভার্সিটি।
(০৮ সেপ্টেম্বর , ২০২০ ; ঢাকা)
……………………………………………………………………
ছবিঃ শাহাজান শিশিরের বিরুদ্ধে দায়েরকৃত মিথ্যা মামলা প্রত্যাহার,বিদ্যালয় ভবন নির্মাণে অনিয়মের বিষয়ে সুষ্ঠু তদন্তের দাবী,শাহাজান শিশিরকে স্বপদে পুনর্বহালের দাবীতে মানব বন্ধন -সহ উনার কারামুক্তির দাবীতে কচুয়া উপজেলার সর্বস্তরের মানুষের প্রতিবাদ কর্মসূচির অংশ বিশেষের স্থিরচিত্রের কোলাজ ।
