সংবাদ বিজ্ঞপ্তি ॥
চাঁদপুর সদর উপজেলার মহামায়া’র আরএমপি-অর্শ¦ ও গেজ রোগের চিকিৎসক লিটন সরকারকে পুলিশ আটকের পর গত ২৪ সেপ্টেম্বর স্থানীয় কয়েকটি পত্রিকায় সংবাদ প্রকাশ করা হয়। উক্ত সংবাদে স্থানীয় একটি পত্রিকার নাম উল্লেখ করে বিভ্রান্তি মূলক তথ্য প্রকাশ করা হয়। পত্রিকার নাম ও সম্পাদককে জড়িয়ে যে তথ্য প্রকাশ করা হয়েছে তা সম্পূর্ণ কাল্পনিক ও ভিত্তিহীন।
প্রকৃত ঘটনা হলো বাগাদী ইউনিয়নের সেলিম মাল ওরপে দুদু নামের এক ব্যাক্তি তার ছেলে মাসুদ মালকে অপচিকিৎসা করায় চিকিৎসক লিটনের বিরুদ্ধে চাঁদপুর মডেল থানায় একটি অভিযোগ দায়ের করে।
অভিযোগের ভিত্তিতে মডেল থানার ওসি মামুনুর রশিদ থানার সেকেন্ড অফিসার মনির হোসেনকে বিষয়টির দায়িত্ব দেন। তার প্রেক্ষিতে তিনি উভয় পক্ষকে গত ২২ সেপ্টেম্বর থানায় ডেকে এনে বিষয়টি সম্পর্কে অবহিত ও মিমাংসা হওয়ার জন্য বলেন। ঐ দিন মিমাংসা না হওয়ায় বিষয়টি ওসিকে অবহিত করা হয়। ওসির পরামর্শক্রমে ৮ অক্টোবর পূণরায় বৈঠকের সিদ্ধান্ত হয়।
কোন এক অদৃশ্য কারণে সেকেন্ড অফিসার পর দিন ২৩ সেপ্টেম্বর উভয় পক্ষকে থানায় হাজির হওয়ার জন্য বলেন এবং তাদের কথা ওসি পূণরায় শুনবে বলে জানায়। ঐ দিন দির্ঘ সময় উভয়ের কথা শুনে এক পর্যায় কনষ্টেবলকে ডেকে এনে লিটন সরকারকে ডিউটি অফিসারের কক্ষে বসিয়ে রাখার জন্য বলেন। এরপরদিন ২৪ সেপ্টেম্বর মামলা রুজু করে লিটন সরকারকে জেলা হাজতে প্রেরন করে।
অথচ স্থানীয় কয়েকটি পত্রিকায় প্রকাশিত হলো ভিন্ন প্রতিবেদন। গত কয়েক মাস পূর্বে জনৈক এক সাংবাদিককে আলোকিত চাঁদপুর পত্রিকা থেকে বিভিন্ন অনিয়মের কারনে বাদ দেওয়া হয়। তার প্রেক্ষিতে ঐ সাংবাদিক প্রকৃত ঘটনাকে আড়াল করে আলোকিত চাঁদপুর পত্রিকা ও সম্পাদকের মান সম্মান ক্ষুন্ন করার লক্ষ্যে বিভিন্ন সংবাদকর্মীকে ভুল বুঝিয়ে কাল্পনিক তথ্য সরবরাহ করেন। যা বিভিন্ন পত্রিকায় প্রাকাশিত হয়।
লিটন সরকার অপরাধি হলে দেশের প্রচলিত আইনানুযায়ী বিচার হবে। কিন্তু পত্রিকাকে জড়িয়ে যে সংবাদ প্রকাশ করা হয়েছে তা নিন্দনিয়।
বার্তা প্রেরক
মোঃ জাকির হোসেন
সম্পাদক
দৈনিক আলোকিত চাঁদপুর।
