বাবা-মায়ের স্নেহ যেনো অনেক আগে হারিয়ে ফেলেছিলেন ভুয়া চিকিৎসক লিটন সরকার। আর এর মূল কারণ হচ্ছে জন্মদাতা বাবাকে তিনি প্রায়ই মারধর করতেন। বাবা তার হাত থেকে মরে গিয়ে বেঁচে গেলেও জীবিত মা তার নির্যাতন থেকে এখনও রক্ষা পায়নি বলে স্থানীয় এলাকাবাসী জানান। বৃহস্পতিবার দুপুরে চিকিৎসকের নতুন বাড়ির সামনে গেলে ওই বাড়ির পাশে থাকা বয়োবৃদ্ধরা এগিয়ে আসেন সাংবাদিক পরিচয় পেয়ে। এসেছিলেন স্থানীয় কয়েকজন যুবকও। এর মধ্যে দু- একজন কথা বললেও বাকিরা ভয়ে কোন কথা বলতে চাননি। ওই যুবকরা জানান, লিটন সরকারকে কেউ যেনো কিছু না বলতে পারে, এজন্য তার সাথে দু একজন চুনে-পুটিকে সাথে রাখতেন। তারা লিটনের বিরুদ্ধে কিছু বললে ওই এলাকার লোকজনদের ওই চুনো পুটিরা তাদেরকে গালমন্দ করেন।
অনেক অনুরোধ করার পর বয়োবৃদ্ধ এক মহিলা বলতে থাকেন আপনারা কার খবর নেয়ার জন্য এসেছেন। ওই মানুষটা ডাক্তার পরিচয়দানকারী একজন কসাই। এর কারণ জানতে চাইলে তারা বলতে থাকেন, লিটন সরকার রোগীদের সাথে তো খারাপ আচরণ করতেন এবং নিজেই রোগীদের চিকিৎসা করতেন। আমরা এখন পত্রিকার মাধ্যমে শুনতে পাচ্ছি যে লিটন সরকার একজন ভুয়া ডাক্তার। লিটন সরকার এক সময় তার জীবিত বাবাকেও মারধর করতেন। তার নির্দেশ না শুনলে বুড়ো মানুষটিকে সে মারধর করতো। আমরা এলাকাবাসী প্রায়ই তাকে বারণ করতাম কিন্তু তিনি ডাক্তার বলে কাউকে কখনও পাত্তা দিতেন না। তার গর্ভধারীণি মাকেও প্রায়ই নির্যাতন করতো বলে এলাকাবাসী জানান। শ্বশুর-শাশুড়ির ব্যাপারে তাদের পুত্রবধূদের কাছে জানতে চাইলে অনেকটা অনীহা প্রকাশ করেন ওই গৃহবধূরা। তাদের শাশুড়ি কোথায় আছে, একটু কথা বলার জন্য আসছি। কিন্তু তারা কোন উত্তরই দেননি। লিটনের ভাইদের সাথে কথা বলতে চাইলে পুরনো বাড়িতে থাকা গৃহবধূরা তাদের স্বামীদের নাম্বার চাইলে তারা বলেন তাদের নাম্বার তারা জানেন না।
শিরোনাম:
শুক্রবার , ১ মে, ২০২৬ খ্রিষ্টাব্দ , ১৮ বৈশাখ, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
এই ওয়েবসাইটের যে কোনো লেখা বা ছবি পুনঃপ্রকাশের ক্ষেত্রে ঋন স্বীকার বাঞ্চনীয় ।

