শাহরিয়ার খাঁন কৌশিক ॥ চাঁদপুর জেলা প্রশাসনের কালেক্টরেট জামে মসজিদে ফজরের আজান,নামাজের জামাত না হওয়ায়,মসজিদের জানালা বন্ধ করে দোকানদারী করা ও মসজিদের প্রবেশ পথে মালামাল রেখে মুসল্লিদের মসজিদে প্রবেশে সমস্যা সৃস্টি হওয়ায় ইমাম ও মোয়াজ্জিনের অপসারনের দাবীতে মসজিদের মুসল্লিরা বিক্ষোভে ফেটে পড়ে ও জোহর নামাজের সময় মুসল্লিরা একত্রিত হয়ে প্রতিবাদ জানায়। এ ঘটনাকে কেন্দ্র করে শহরের চাঁদপুর সরকারী জেনারেল হাসপাতাল এলাকায় ও মসজিদ প্রাঙ্গনে চরম উত্তেজনা বিরাজ করছে। যে কোন সময় এ ঘটনাকে কেন্দ্র করে মসজিদের ইমাম মাও: মো: মোশারফ হোসেন ও মোয়াজ্জিন মো: হাবিবুল্লা গাজী ওরফে হাবিবের সাথে নিয়মিত মুসল্লিদের সাথে রক্তক্ষয়ী সংঘর্ষের আশংকা বিরাজ করছে। এ বিষয়টি মসজিদ কমিটির সদস্য মোস্তাক হায়দার চৌধুরী ও কাজী শাহাদাত সাহেবকে জানানো হয়েছে বলে মুসল্লিরা জানান।। এ ঘটনার সত্যতা স্বীকার করে কালেক্টরেট জামে মসজিদের ইমাম মাও: মো: মোশারফ হোসেন দু:খ প্রকাশ করেন।
সরজমিনে চাঁদপুর শহরের অত্যান্ত ব্যস্ততম এলাকা ২৫০ শর্যা বিশিস্ট চাঁদপুর সরকারী জেনারেল হাসপাতালের সামনে অবস্থিত চাঁদপুর কালেক্টরেট জামে মসজিদ এলাকায় গিয়ে জানা যায়,চাঁদপুর জেলা প্রশাসনের কালেক্টরেট জামে মসজিদটির সভাপতির দায়িত্বে রয়েছেন,জেলা প্রশাসক সাহেব। এ মসজিদটি একটি গুরুত্বপূর্ন স্থানে হওয়ায় এখানে প্রতিদিন বিভিন্ন স্থান থেকে আসা লোকজন, এলাকাবাসী ও হাসপাতালের চিকিৎসকসহ শত-শত ধর্ম প্রান মুসলমান তাদের পাঁচ ওয়াক্ত নামাজ আদায় করে থাকে। এ মসজিদের ইমামের দায়িত্বে রয়েছেন,মাও: মো: মোশারফ হোসেন ও মোয়াজ্জিনের দায়িত্বে রয়েছেন, মো: হাবিবুল্লা গাজী ওরফে হাবিব। এ ২ ব্যাক্তি জেলা প্রশাসনের কালেক্টরেট জামে মসজিদ থেকে পাঁচ ওয়াক্ত নামাজ পড়ানোর জন্য ৯ হাজার ৬শ” ও ৭ হাজার ২শ” টাকা বেতন পেয়ে থাকেন। তার পর ও ইমাম মাও: মো: মোশারফ হোসেন,মান্দারি মাদ্রাসায় আরবি প্রভাষক হিসেবে চাকরী করেন। মোয়াজ্জিন মো: হাবিবুল্লা গাজী ওরফে হাবিব এলাকায় শিক্ষার্থীদের প্রাইভেট পড়িয়ে অনেক অর্থ উর্পাযন করেন। এ ছাড়া মোয়াজ্জিন মসজিদের ২য় তলায় অবস্থিত গ্রীন ডায়াগনস্টিক সেন্টারের সাথে পাটনার হিসেবে রয়েছেন। সেখান থেকে ও তিনি অনেক অর্থ উপার্যন করেন বলে গ্রীন ডায়াগনস্টিক সেন্টারের অন্য পাটনাররা জানান। জেলা প্রশাসনের কালেক্টরেট মসজিদটির দায়িত্বে থাকা ইমাম ও মোয়াজ্জিন ২ জন ব্যাক্তি তাদের বাহিরের অন্য পেশা পালন করে এখানে সঠিক ভাবে দায়িত্ব পালন করতে পারছেন। যার ফলে তারা রাতে নির্ধারিত সময়ে ঘুমাতে না পারায় তারা প্রতিদিনই রাতে দেরী করে ঘুমাতে হয়। এতে করে এ ২ ব্যাক্তি সকালে ফজর নামাজের সময় উঠতে তাদের বিলম্ব হয়ে থাকে প্রায় দিনই। যার ফলে অধিকাংশ দিন এ মসজিদে ফজরের নামাজ সঠিক সময় পড়ানো হয় না বলে মসজিদের নিয়মিত মুসল্লিরা জানান। এ ছাড়া বিগত দিনে এ মসজিদে অনেক দিন ফজরের নামাজের সময় আজান হয়নি ও ফজরের নামাজের জামাত হয়নি বলে অনেক নিয়মিত ধর্ম প্রান মুসল্লিদের অভিযোগ।
এ দিকে গতকাল শুক্রবার ৩ জুলাই এ কালেক্টরেট জামে মসজিদে দায়িত্বরত ব্যাক্তি ফজর নামাজের সময় মসজিদে আজানও দেননি এবং ফজরের নামাজের নির্ধারিত সময়ে জামাত ও করেনি বলে একাধিক ধর্ম প্রান মুসলমান মুসল্লিরা অভিযোগ করে জানান। যার ফলে এ মসজিদে নামাজ আদায় করতে আসা
শিরোনাম:
রবিবার , ২৬ এপ্রিল, ২০২৬ খ্রিষ্টাব্দ , ১৩ বৈশাখ, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
এই ওয়েবসাইটের যে কোনো লেখা বা ছবি পুনঃপ্রকাশের ক্ষেত্রে ঋন স্বীকার বাঞ্চনীয় ।
