
শাহারিয়ার খান কৌশিক ॥ চাঁদপুর শহরে উত্তর শ্রীরামদী জামতলায় রেলওয়ের জায়গা অবৈধভাবে দীর্ঘদিন যাবত দখল করে বিক্রি করে লাখ লাখ টাকা হাতিয়ে নিচ্ছে এলাকার ভূমি দস্যুরা। পুকুর ডোবা নালা, দীঘি সহ রাস্তার জায়গা সবই দখল করে একের পর এক হাত বদল করে বিক্রি করে আসছে এক শ্রেণির অসাধু ব্যক্তিরা। রেলওয়ের কোয়ার্টার ও সম্পত্তি দখল করে বিক্রি করার অপরাধে রেলওয়ে কর্মকর্তারা এই সকল ভূমি দুস্যদের বিরুদ্ধে সম্প্রতিকালে বেশ কিছু মামলা দায়ের করলেও থেমে নেয় তাদের দখলবাজি। সোমবার বিকেলে উত্তর শ্রীরামদী জামতলা গিয়ে ঘটনার বিবরণে জানা যায়, জামতলা মসজিদ সংলগ্ন সেলিম ভূইয়ার বাড়ির পার্শ্বে দীর্ঘ বছর যাবত রেলওয়ের সম্পত্তি দখল করে মৃত সেকান্তর গাজীর স্ত্রী উলফুতিন্নেছা ভোগ দখল করে। উলফুতিন্নেছা মারা যাওয়ার পর মতলব মুন্সির ছেলে তার ভাই মোঃ আলী হোসেন মুন্সি লেদা সেই সম্পত্তি দখল করে। ইদানিং কালে দখল সূত্রে মালিক হয়ে রেলওয়ের সম্পত্তি অবৈধভাবে একই জায়গা আড়াই লক্ষ টাকা আমিন ভূইয়ার কাছে বিক্রি করে একলক্ষ বিশ হাজার টাকা নেওয়ার পর ৪ লক্ষ টাকা অপরের কাছে বিক্রি করাকে কেন্দ্র কওে সংঘর্ষেও আংশকা দেখা দিয়েছে। এব্যাপারে আমিন ভূইয়া জানায়, ৫মাস পূর্বে আলী হোসেন মুন্সি লেদা আড়াই লক্ষ টাকা মৌখিক দাম করে ১ লক্ষ ৩০ হাজার টাকা নেয়। সেই সম্পত্তি দখল না দিয়ে অপরের কাছে ৪ লক্ষ টাকায় বিক্রি করার পায়তারা করছে। এইভাবে রেলওয়ের সম্পত্তি দখল করে অপরের কাছে বিক্রি করে লেদা মুন্সি লক্ষ লক্ষ টাকা হাতিয়ে নিয়ে বিটি রোডে ৪তলা ভবন নির্মাণ করে। এই ঘটনায় আলী হোসেন মুন্সি লেদা কাছে জানতে চাইলে তিনি বলেন, বোন মারা যাওয়ার পর রেলওয়ের সম্পত্তি দখল সূত্রে মালিক হয়ে ১ লক্ষ ২০ হাজার টাকা আমিন ভূইয়ার কাছ থেকে নেওয়া হয়েছে। পরে এলাকার কমিশনার শাহ আলম বেপারী ও নাছির চোকদার শালিসী বৈঠক করে তাকে ১ লক্ষ ৩০ হাজার টাকা দিয়ে দেওয়ার জন্য বলে। তাদের সিদ্ধান্ত অনুযায়ী তাকে টাকা দেওয়া হয়েছে। এদিকে এলাকাবাসী জানায়, দীর্ঘদিন যাবত উত্তর শ্রীরামদী জামতলা একদল ভূমিদুস্য আবু ছৈয়াল ও তার সংবদ্ধ চক্ররা রেলওয়ের দীঘি, পুকুর অবৈধভাবে দখল করে বিক্রি করে লক্ষ লক্ষ টাকা হাতিয়ে নিচ্ছে। এদের বিরুদ্ধে প্রশাসন কঠোর আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করলেই রেলওয়ের সম্পত্তি অবমুক্ত করা সম্ভব হবে।
শিরোনাম:
সোমবার , ৪ মে, ২০২৬ খ্রিষ্টাব্দ , ২১ বৈশাখ, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
এই ওয়েবসাইটের যে কোনো লেখা বা ছবি পুনঃপ্রকাশের ক্ষেত্রে ঋন স্বীকার বাঞ্চনীয় ।
