
শাহরিয়ার খাঁন কৌশিক ॥ চাঁদপুর কোড়ালিয়া রোডে স্ত্রীর সাথে ঝগড়ার পর অভিমান করে ফ্লাট বাসায় যুবক গলায় ফাঁস দিয়ে আতœহত্যা করেছে বলে খবর পাওয়া গেছে।
বৃহস্পতি বার দুপুর ২ টায় পালেবাজারের কশাই শাহাদাত গাজী(৩০) তার বাসার দরজা বন্ধ করে ফ্যেনের সাথে গামছা বেঁধে আতœহত্যা করে। খবর পেয়ে চাঁদপুর মডেল থানার তদন্ত ওসি মহিউদ্দিন ও এসআই হালিম সঙ্গীয় পুলিশ ফোর্স নিয়ে ঘটনাস্থলে গিয়ে লাশ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য থানায় নিয়ে আসে।
জানা যায়, সদর উপজেলার রামপুর ইউনিয়নের ছোট সুন্দর গ্রামের পালেবাজারের কশাই আরশাদ গাজীর ছেলে শাহাদাত গাজী ৬ বছর পূর্বে পুরানবাজার বউবাজার এলাকায় আসমা(২৫)কে প্রেম করে বিয়ে করে। তার বিয়ের পর পরিবারের লোকজন মেনে না নেওয়ায় সে দির্ঘদিন যাবত অন্য বাসা ভাড়া নিয়ে থাকে। তার বড় ভাই সৌদি প্রভাসী শাহাজালাল কেড়ালিয়া রোডের সুলতান বকাউলের বাসার সামনে জায়গা কিনে দ্বিতীয় তল ফ্লাট বাসা তৈরি করে। গত দ্ইু মাস পূর্বে শাহাদাত গাজী তার বাবা ও পরিবারকে ম্যেনেজ করে বড় ভাই প্রভাসী শাহাজালালের বাসার উঠে। সে তার স্ত্রী ও ৪ বছরের ছেলে আহাদ সহ সেই বাসার দ্বিতীয় তলায় একটি বুমে থাকে। দেড় মাস পূর্বে তার স্ত্রী তার সাথে অভিমান করে বিষ পান করে আতœহত্যার চেষ্টা করে। পরে তাকে উদ্ধার করে চাঁদপুর সদর হাসপাতালে নিয়ে চিকিৎসা করানো হয়। স্বামী ও স্ত্রীর সাথে প্রায় সময় ঝগড়া হতো। তেমনি গত বুধবার স্বামী ও স্ত্রীর সাথে ঝগড়ার পর হাতাহাতি হলে স্ত্রী আসমা বেগমের মুখ ফেটে গিয়ে রক্ত বের হয়। তাকে উদ্ধার করে সদর হাসপাতালে নিয়ে ভর্তি করানো হয়েছে। এই নিয়ে দুই জনের মধ্যে বাকবিতন্ডার সৃষ্টি হয়। পরে স্ত্রীর সাথে ঝগড়ার পর অভিমান করে ফ্লাট বাসায় শাহাদাত গাজী গলায় ফাঁস দিয়ে আতœহত্যা করে। দুপুরে তার ছোট বোন বিউটি ভাইকে ভাত খাওয়ার জন্য তার রুম বন্ধ দেখে বাহির দিয়ে ডাকাডাকি করে। তার ডাকে সারা না দেওয়ায় পাশের বাসা থেকে লোক এনে দরজা ভেঙ্গে ভিতরে ডুকে জুলন্ত অবস্থায় তাকে দেখতে পায়। পরে পুলিশকে খবর দিলে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে লাশ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য থানায় নিয়ে আসে।এই ঘটনায় থানায় একটি অপমৃত্যু মামলা দায়ের করা হয়েছে।
