
রফিকুল ইসলাম বাবু।
ভয় দেখিয়ে দুই বছর ধরে ধর্ষণের অভিযোগে খিলপাড়া গ্রামের নাছির হোসেনের বিরুদ্ধে হাজীগঞ্জ থানায় একটি ধর্ষণ মামলা হয়েছে। মামলার পর থেকে পলাতক রয়েছে। এমন ঘটনাটি ৩১ জুলাই হাজীগঞ্জ উপজেলার ৩ নং কালচোঁ উত্তর ইউনিয়নের খিলপাড়া মজুমদার বাড়ীতে ঘটে। সে মজুমদার বাড়ীর মৃত সৈয়দ আহম্মেদের ছেলে। একই বাড়ীর দিনমজুরের মেয়ে ফিরোজপুর মাদ্রাসার ৯ম শ্রেনীর ছাত্রী (১৪) কে ধর্ষণ করে আসছে বলে অভিযোগ উঠেছে। পারিবারিক সূত্রে জানা গেছে, নাছির হোসেন এ পর্যন্ত ৩টি বিয়ে করেছে। বর্তমানে কচুয়া উপজেলার এক নারী নাছিরের ৩য় স্ত্রী হিসেবে সংসার করছে। নাছিরের বর্তমানে পূর্বের এক ছেলে ও বর্তমান সংসারের এক ছেলে রয়েছে। রখিলপাড়া গ্রামের মহিলা ইউপি সদস্য ফেরদৌসি বেগম বলেন, বিষয়টি গত সোমবার জানাজানি হলে মেয়েটি আমাকে জানায়, গত দুই বছর ধরে নাছির মেয়েটির ইচ্ছার বিরুদ্ধে জোর পূর্বক ধর্ষণ করে আসছে। এর আগে নাছির মেয়েটিকে রাতের বেলায় বাড়ীর কলের গোড়ায় পানির জন্য গেলে সেখানে মেয়েটি জোরপূর্বক পাশাপাশি কয়েকটি ছবি ও ভিডিও ধারণ করে। তা থেকে মেয়েটিকে হুমকি দেয়। যদি তুই আমার প্রস্তাবে রাজি না থাকিস তাহলে আমি এসব ছবি ও ভিডিও ইন্টারনেটে ছেড়ে দেবো। মেয়েটি লজ্জা ও ভয়ে মূখ খুলতে সাহস পায়নি। আর এ সুযোগে লম্পট নাছির প্রায় রাতে মেয়েটির ইচ্ছার বিরুদ্ধে জোরপূর্বক ধর্ষণ করে আসছে এবং আরো একাদিক পর্ণোগ্রাফী মোবাইলে ধারণ করেছে। মাদ্রাসার ছাত্রীর মা বলেন, আমি নাছিরকে গত রবিবার রাতে আমার ঘরে হাতেনাতে ধরলে সে আমাকে মেরে ফেলার হুমর্কি দেয়। তার পর বিষয়টি আমাদের বাড়ীর মহিলা মেম্বার ফেরদৌশি বেগমসহ তার পরিবারকে জানাই। আমি এ ধর্ষকের বিচার চাই। নাছিরের মা ও চাচা দেলোয়ার হোসেন বলেন, নাছির বাড়ীতে নেই, বিষয়টি সত্যতার জন্য মেয়েটিকে পুলিশ পরীক্ষার জন্য নিয়ে গেছে। আমরা পারিবারিক ভাবে বিষয়টি সমাধান করতে পারতাম।এ বিষয়ে হাজীগঞ্জ থানার উপ-পরিদর্শক এস আই শামসুজ্জামান বলেন, মেয়েটির বাবা বাদী হয়ে ধর্ষক নাছিরের বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করেছে যার মামলা নং ০১,তাং-০১/০৮/১৭ইং। মেয়েটির ধর্ষণের আলামতের জন্য পরীক্ষা শেষে পরিবারের হেফাজতে রাখা হয়েছে। এদিকে অভিযুক্ত নাছির হোসেনকে গ্রেফতারের চেষ্টা চলছে।
