শাহরাস্তি পৌরবাসীকে নাগরিক সেবা প্রদানে ১১ কোটি টাকার মেগা প্রকল্পের টেন্ডার কার্যক্রম সম্পন্ন
মোঃ জামাল হোসেনঃ
শাহরাস্তি পৌরবাসীকে নাগরিক সেবা প্রদানের লক্ষ্যে ১১ কোটি টাকার মেগা প্রকল্পের টেন্ডার কার্যক্রম সম্পন্ন করা হয়েছে। গতকাল বুধবার বেলা ২টায় পৌরসভার সম্মেলন কক্ষে মেয়র হাজী আবদুল লতিফ এক সংবাদ সম্মেলনে পৌরসভার গত এক বৎসরের উন্নয়ন প্রকল্পের কার্যক্রম সম্পর্কে সাংবাদিকদের অবহিত করেন।
শাহরাস্তি পৌরসভা সূত্রে জানায়, শাহরাস্তি পৌরসভার মেয়র হাজী আবদুল লতিফ দায়িত্ব ভার গ্রহনের পর থেকে পৌরসভার মৌলিক সমস্যাগুলো চিহ্নিত করে তা বাস্তবায়নের লক্ষে বিভিন্ন প্রকল্প হাতে নেন। এরই ধারাবাহিকতায় তিনি পৌর শহরের জলাবদ্ধতার কথা চিন্তা করে ড্রেনেজ ব্যবস্থা উন্নয়নে প্রদক্ষেপ গ্রহন করেন। ওই হিসেবে পরিবেশ ও বন মন্ত্রালয়ের অধীনে জলবায়ু ট্রাষ্ট তহবিলের আওতায় কাজের অংশ হিসেবে দোয়াভাঙ্গা থেকে উপজেলা সদর পর্যন্ত ড্রেনেজ ব্যবস্থার অবকাঠামোর কাজে হাত দেন। ওই নির্মান কাজ ৫ কোটি টাকা ব্যয়ে সম্পুর্ণ হওয়ার পথে রয়েছে।এই দিকে তৃতীয় নগর পরিচালনা ও অবকাঠামো উন্নতিকরণ সেক্টরের প্রকল্প টএওওচ-ওওও ৩ ডরহফড়-িই এর আওতায় দরপত্র বিজ্ঞপ্তি নং ০১/২০১৬-২০১৭ এর মাধ্যমে ২৮ কিঃমিঃ রাস্তার টেন্ডার প্রক্রিয়ার কার্যক্রমের অংশ হিসেবে বুধবার দরপত্র গ্রহন করা সম্পন্ন হয়েছে। ওই টেন্ডার প্রক্রিয়ার মাধ্যমে পৌরসভার আওতাধীন ৩২টি সড়ক প্রায় ১১ কোটি টাকা ব্যয় সাপেক্ষে সড়ক পুন নির্মান কাজ করা হবে।
পৌর মেয়র হাজী আবদুল লতিফ উপস্থিত সাংবাদিকদের জানান, আমি দায়িত্ব ভার গ্রহনের পর থেকে শাহরাস্তি পৌরসবার সমস্যাগুলো চিহ্নিত করেছি। পৌর শহরের প্রধান সমস্যা জলাবদ্ধাতা নিরসনে প্রায় ৫ কোটি টাকা ব্যয় সম্বলিত ড্রেনেজ ব্যবস্থার কাজ শেষ হওয়ার পথে রয়েছে। আমাদের ভিশন অনুযায়ী পৌরসভার অন্যান্য সমস্যাগুলো চিহ্নিত করনের মাধ্যমে পরবর্তী প্রকল্পগুলোর কাজ অল্প সময়ের মধ্যে সম্পন্ন করা হবে। এছাড়াও পৌরসভায় আর্সেনিক ম্ক্তু পানি সরবরাহ শতভাগ নিশ্চিত করার লক্ষ্যে ট্রিটমেন্ট প্লান হাতে নিয়েছেন। ইতিমধ্যে আমার নিজের ৭২ শতক জমির উপর এই ট্রিটমেন্ট প্লান স্থাপন করা হবে। আপনারা সকলেই সহযোগিতা করবেন। তবেই শাহরাস্তি পৌরসভার নাগরিক সেবা বৃদ্ধি পাবে।
