
প্রতিনিধি
বহু প্রতিক্ষার পর বিদ্যুতের আলোর ছোঁয়া পাবে এমন আশা নিয়ে ৯নং লটের আওতায় ২০টি পরিবারের নামে অনুমোদিত হয় ২০টি মিটার। অনুমোদনের পর ৫টি খুঁটি তারসহ প্রয়োজনীয় সরঞ্জামাদি এনে সংস্থাপন করা হলে প্রতি পক্ষের নিষেধাজ্ঞার মুখে তার সংযোগ বাধাগ্রস্থ হয়। এ ঘটনায় বর্তমানে ২০টি পরিবার ক্ষতির সম্মুখিন। ঘটনাটি গত ৫ নভেম্বর শনিবার সাড়ে ১২টায় কচুয়া উপজেলার আশ্রাফপুর ইউনিয়নের আশ্রাফপুর গ্রামের খন্দকার বাড়িতে ঘটে। ঘটনা সূত্রে জানা যায়, ৫টি খুঁটির মধ্যে ১টিতে ওই গ্রামের পাটোয়ারী বাড়ির পূর্ব দিকে স্থাপন করা খুঁটি থেকে তার সংযোগ করার সময় ওই বাড়ির মৃত দলিলুর রহমান পাটোয়ারী পুত্রগন বাধা প্রদান করেন। এতে উভয় পক্ষের মধ্যে তুমুল কথাকাটা কাটি হয়। এক পর্যায়ে গ্রামের গন্যমান্য ব্যক্তিবর্গ উভয় পক্ষকে বুঝিয়ে নিজ নিজ বাড়িতে অবস্থান করার অনুরোধ জানান।
এ ব্যাপারে স্থানীয় ইউপি সদস্য সৈয়দ আহাম্মদ বলেন, বিদ্যুতের লাইন এভাবেই একজনের টা অন্য জনের জায়গার উপর দিয়ে যায় এবং এটাই স্বাভাবিক। যারা আজ বাধা দিচ্ছেন তারাও অন্যের জায়গার উপর দিয়ে বিদ্যুতের লাইন নিয়েছেন। অথচ আজ প্রতিহিংসার বলয়ে খন্দকার বাড়ির অসহায় মানুষগুলোর ক্ষতি করার চেষ্ট করছেন তারা। যা অত্যন্ত অন্যায় এবং জোর খাটানোর মতো। সব মিলে এই অসহায় পরিবার গুলোর বিদ্যুৎ পাওয়াটা তাদের ন্যায্য অধিকার। যা থেকে তাদেরকে বঞ্চিত করার অপচেষ্টা করছেন তারা।
বাড়িওয়ালার পক্ষে মৃত আবদুল করিমের পুত্র মোঃ বাচ্চু মিয়া বলেন, বাড়ি প্রতিষ্ঠিত হওয়ার পর দীর্ঘ বছর অপেক্ষার অবসান ঘটিয়ে এবং হত দরিদ্র পরিবার গুলো গতর খাটিয়ে টাকা জমিয়ে বিদ্যুৎ আনয়নের খরচ মিটিয়েছেন। আজ পরহিংসায় কাতর হয়ে খন্দকার বাড়িকে অন্ধকারে নিমজ্জিত করার ব্যর্থ পায়তারায় লিপ্ত রয়েছেন পাটোয়ারী বাড়ি ভদ্র লোক গুলো। যাদের সাথে আমাদের কোনো শত্র“তা নেই। আছে গাঢ়-গভীর ও নিবীড় সর্ম্পক, অথচ আজ তুছ ঘটনায় বড় ধরনের মানসিক চাপে রয়েছি আমরা। আমাদের ন্যায্য অধিকার পাওয়ার জন্য অবশ্যই পাটোয়ারী বাড়ির লোকদের সমীহ করবো। প্রতিদ্বন্ধিতা অথবা প্রতিযোগিতা নয়-আমরা একটু বিদ্যুতের আলো চাই। আর তা পেয়ে পাটোয়ারী বাড়ির লোকজন আমাদের সহযোগিতা করবেন এমনটাই আশা করছেন তিনি।
পাটোয়ারী বাড়ির লোকজন বলেন, আমাদের জমির উপর দিয়ে বিদ্যুতের তার যেতে দিবোনা। বিদ্যুতের সংযোগের ঘটনা ব্যতিত খন্দকার বাড়ির সাথে আমাদের কোনো ঝঞ্জাট নেই।
এলাকবাসীবলেন, বিদ্যুতের লাইনই কারো না কারো জমির উপর দিয়েই যায়। আর এটাই স্বাভাবিক এবং সত্য। কিন্তু খন্দাকার বাড়িতে বিদ্যুতের নতুন সংযোগে বাধা দেয়া বতর্মান সরকারের উন্নয়নকে ব্যহত করার সামিল। তাই উপজেলা আওয়ামীলীগের নেতৃবৃন্দ ও সংশ্লিষ্ট প্রশাসনের হস্তক্ষেপ কামনা করেন তারা।
