চাঁদপুর নিউজ রিপোর্ট
চাঁদপুর শহরের বড় ষ্টেশন এলাকার ট্রেন যাত্রীকে প্রলোভন দেখিয়ে নির্জনস্থানে স্থানে নিয়ে ছিনতাইকরীরা সর্বস্ব লুট করেছে। চাঁদপুর মডেল থানা পুলিশ অভিনব কায়দায় অভিযান চালিয়ে ছিনতাইকারীর মূলহোতা জুয়েল (২৫) কে আটক করেছে। মঙ্গলবার বিকেল ৪টায় মডেল থানার উপ-পরিদর্শক জাকির সঙ্গীয় ফোর্স নিয়ে দক্ষতার পরিচয় দিয়ে ছিনতাইকারীর পিছু নিয়ে দৌড়ে তাকে আটক করে থানায় নিয়ে আসে। জানা যায়, সিলেট থেকে মোঃ সোলেমান (৫৫) তার নিখোজ মানুষিক ভারসাম্যহীন স্ত্রী সাজু বেগম কে চাঁদপুরে খোজতে ট্রেনযোগে আসেন। ভোর ৬টায় বড়ষ্টেশন এলাকায় খোজাখোজি করার সময় ক্লাব রোডের মজিবুর রহমানের ছেলে চিহ্নিত ছিনতাইকারী জুয়েল তাদেরকে দেখতে পেয়ে কি কারণে এসেছে জিজ্ঞাসা করে। এসময় সলেমান তার স্ত্রীর সন্ধান জানতে চায়। ছিনতাইকারী তার অপরসহযোগীকে ফোন করে নিখোজ সাাজু বেগমকে পেয়েছে কিনা জানতে চায়। পরে মোঃ সোলেমান ও তার ছেলেকে নিখোজ সাজু বেগমের সন্ধান মিলেছে বলে রকেট ঘাট এলাকার নির্জনস্থানে নিয়ে যায়। তারা অস্ত্রের ভয় দেখিয়ে ট্রেন যাত্রী সলেমান ও তার ছেলে কাছে থাকা মোবাইল ফোন ও নগদ ছয় হাজার টাকা ছিনিয়ে নিয়ে যায়। ঘটনার পর দিশেহারা হয়ে সলেমান ঘটনাটি চাঁদপুর মডেল থানায় এসে পুলিশকে জানায়। পুলিশ তাদের কথামতো আগে তাদেরকে বড়ষ্টেশন এলাকায় পাঠিয়ে দিয়ে পিছু নেয়। এসময় ছিনতাইকারী মিলন পুলিশের উপস্থিতি টের পেয়ে দৌড়ে পালিয়ে যায়। পরে মূল হোতা জুয়েলকে বড়ষ্টেশন চট্টপট্টির দোকানে বসে থাকা অবস্থায় ধরতে গেলে সে দৌড়ে পালানোর চেষ্টা করে। মডেল থানার চৌকোশ পুলিশ কর্মকর্তা এস.আই জাকির দৌড়ি গিয়ে জুয়েল কে আটক করে থানায় নিয়ে আসে। এই ঘটনায় চাঁদপুর মডেল থানায় একটি মামলা দায়ের করা হয়েছে। এইভাবেই প্রতিদিন ক্লাব রোড, যমুনা রোড, বকুলতলা, বড়ষ্টেশন এলাকার ছিনতাইকারীরা দলবদ্ধভাবে ট্রেন ও লঞ্চ ইষ্টিমার যাত্রীদের অস্ত্রেও ভয় দেখিয়ে সর্বস্ব লুট কওে নিচ্ছে। গত সোমবার গভীর রাতে ট্রেনষ্টেশন এলাকার চিহ্নিত ছিনতাইকারী রানাকে নতুনবাজার ফাঁড়ির এটিএসআই সুদর্শন কুড়ি ছিনতাই করার সময় আটক করে। ছিনতাইকরীদের আটক করেলেও তারা বেরিয়ে এসে পুনরায় ছিনতাই কাজে জড়িয়ে পরছে। তাদের বিরুদ্ধে কঠোর আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করলে অনেকাংশ কমে যাবে বলে সচেতন মহল ধারণা করছে।

